হামলার শিকার শফিকুল ইসলাম শ্যামল ভূঁইয়া জানান, জালালপুরের নিজ এলাকা থেকে ব্যবসায়িক টাকা-পয়সা নিয়ে সন্ধ্যায় কটিয়াদীর বাসায় ফিরছিলেন তিনি। পথে চরঝাকালিয়া ব্রয়লার মোড়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশে ৮ থেকে ১০ জন লোক অতর্কিতভাবে তাঁর ওপর হামলা চালায়।
তিনি বলেন, “কী কারণে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে, তা আমার জানা নেই। হামলার সময় আমার সঙ্গে থাকা ৬ লাখ টাকা ও একটি ব্যাগ তারা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তাদের কয়েকজনকে আমি চিনতে পেরেছি। এ ঘটনায় তাদের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করেছি।”
স্থানীয় সূত্র ও দলীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জালালপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় বিরোধ চলে আসছিল। প্রায় আট মাস আগে দলীয় কারণে তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক রফিক মিয়াকে পদ থেকে অব্যাহতি দেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। পরে দলীয় নীতি অনুযায়ী ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদ মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
সম্প্রতি রফিক মিয়াকে আবারও সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল করা হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে নতুন করে বিরোধ ও অসন্তোষ দেখা দেয় বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, “এ বিষয়ে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
হামলার ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং দলীয়ভাবে বিষয়টির সমাধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হামলার শিকার শফিকুল ইসলাম শ্যামল ভূঁইয়া জানান, জালালপুরের নিজ এলাকা থেকে ব্যবসায়িক টাকা-পয়সা নিয়ে সন্ধ্যায় কটিয়াদীর বাসায় ফিরছিলেন তিনি। পথে চরঝাকালিয়া ব্রয়লার মোড়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশে ৮ থেকে ১০ জন লোক অতর্কিতভাবে তাঁর ওপর হামলা চালায়।
তিনি বলেন, “কী কারণে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে, তা আমার জানা নেই। হামলার সময় আমার সঙ্গে থাকা ৬ লাখ টাকা ও একটি ব্যাগ তারা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তাদের কয়েকজনকে আমি চিনতে পেরেছি। এ ঘটনায় তাদের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করেছি।”
স্থানীয় সূত্র ও দলীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জালালপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় বিরোধ চলে আসছিল। প্রায় আট মাস আগে দলীয় কারণে তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক রফিক মিয়াকে পদ থেকে অব্যাহতি দেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। পরে দলীয় নীতি অনুযায়ী ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদ মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
সম্প্রতি রফিক মিয়াকে আবারও সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল করা হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে নতুন করে বিরোধ ও অসন্তোষ দেখা দেয় বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, “এ বিষয়ে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
হামলার ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং দলীয়ভাবে বিষয়টির সমাধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
