কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নে ১ কোটি ২৯ লাখ ৮৮ হাজার ৮৪২ টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ১০০ মিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার চরনোয়াকান্দি ও চরপুক্ষিয়া এলাকার মধ্যবর্তী সড়কটির উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন।স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় প্রকল্পটির কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। চরনোয়াকান্দি খামখেয়ালি বাজার থেকে চরপুক্ষিয়া মৃধাবাড়ি হয়ে দক্ষিণ চরপুক্ষিয়া জালালপু সড়ক পর্যন্ত ১ হাজার ১০০ মিটার অংশের উন্নয়ন করা হবে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ ৮৮ হাজার ৮৪২ টাকা।উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় জালালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম শ্যামলের সভাপতিত্বে এবং কটিয়াদী উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম সেতুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম ও কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক, কটিয়াদী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোবারক হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মাসুদ, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তসরিফুল হাসিবসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো বেহাল অবস্থায় থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এসব সড়কে চলাচল করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ত। উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হলে মানুষের যাতায়াত আরও সহজ, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা কার্যক্রম এবং সামগ্রিক যোগাযোগব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছর এ ধরনের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন অব্যাহত থাকবে। বিএনপি শুধু কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রী দেশ গড়ার কাজে নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আমাদের লক্ষ্য—‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সড়কটির উন্নয়নকাজ শুরু হওয়ায় তারা আনন্দিত। সড়কটি সংস্কার ও উন্নয়ন সম্পন্ন হলে কাদা-পানি এবং ভাঙাচোরা রাস্তার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে। একই সঙ্গে এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন তারা।