কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন এর মাঠে জাতীয় মৎস্যপক্ষ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান বলেন মৎস্য চাষিদের "কৃষি কার্ড" এর আওতায় নিয়ে আসা হবে।
রোববার (১৬ আগস্ট) কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এমপি।
‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে ‘জাতীয় মৎস্য পদক’ তুলে দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে মিঠাপানির মাছ উৎপাদনের সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ১৬ লাখ নারীসহ মোট ২ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মৎস্য খাতের ওপর নির্ভরশীল।
তিনি বলেন, পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়া হলে মৎস্য খাতে আরও বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিদেশে রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে।
দেশের মৎস্যসম্পদ আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের বিভিন্ন জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
একই সঙ্গে জেলেদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তাদের পরিচয়পত্র প্রদান ও নিবন্ধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
মাছ চাষিদের ‘কৃষি কার্ড’-এর আওতায় আনার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মৎস্য খাতের সঙ্গে যুক্ত মানুষের জন্য সরকারি সহায়তা আরও সহজ ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন এর মাঠে জাতীয় মৎস্যপক্ষ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান বলেন মৎস্য চাষিদের "কৃষি কার্ড" এর আওতায় নিয়ে আসা হবে।
রোববার (১৬ আগস্ট) কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এমপি।
‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে ‘জাতীয় মৎস্য পদক’ তুলে দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে মিঠাপানির মাছ উৎপাদনের সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ১৬ লাখ নারীসহ মোট ২ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মৎস্য খাতের ওপর নির্ভরশীল।
তিনি বলেন, পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়া হলে মৎস্য খাতে আরও বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিদেশে রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে।
দেশের মৎস্যসম্পদ আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের বিভিন্ন জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
একই সঙ্গে জেলেদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তাদের পরিচয়পত্র প্রদান ও নিবন্ধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
মাছ চাষিদের ‘কৃষি কার্ড’-এর আওতায় আনার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মৎস্য খাতের সঙ্গে যুক্ত মানুষের জন্য সরকারি সহায়তা আরও সহজ ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
