মুজিববর্ষ উদ্যাপনে খরচের হিসাব সংসদে তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানালেন, পতিত সরকারের আমলে এ খাতে মোট ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এই অর্থে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও বেদি নির্মাণ করা হয়। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ব্রোঞ্জ, তামা ও মার্বেল পাথরের মূর্তিও স্থাপন করা হয়। রাষ্ট্রীয় সময় গণনার জন্য তৈরি করা হয় ডিজিটাল বোর্ডও। এ ছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক বছরের খাওয়াদাওয়ার পেছনে ৩৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলেও সংসদে জানান অর্থমন্ত্রী।
আজ রবিবার জাতীয় সংসদে জামায়াতের এমপি মাহবুবুর রহমান বেলালের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ জানালেন, ৬২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে ৪৩টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে এই অর্থ খরচ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি খরচ করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। তাদের খরচ ২৮৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা। রেলপথ মন্ত্রণালয় খরচ করেছে ২০৬ কোটি ৭৩ লাখ ৭১ হাজার টাকা। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ করেছে ১৪০ কোটি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের খরচ ১৩৩ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা।
এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খরচ করেছে ৪৭ কোটি ৬৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ২৬ কোটি ২৬ লাখ ৪১ হাজার টাকা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২৪ কোটি ৩০ লাখ ৪৩ হাজার টাকা খরচ করেছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ খরচ করেছে ২৩ কোটি ২০ হাজার টাকা। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ করেছে ২০ কোটি ৪৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।
মাহবুবুর রহমান সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বললেন, ‘মুজিববর্ষের খরচ নিরীক্ষা বা তদন্তের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মুজিববর্ষ ছাড়াও আগের সরকারের সময় বিভিন্ন খাতে খরচের আরও অনেক বিষয় রয়েছে।
তিনি বললেন, ‘সরকার পর্যায়ক্রমে সেগুলোর হিসাব যাচাই করছে। এই যাচাইয়ের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বললেন, ‘জনগণের অর্থ লুট করে বিদেশে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের আইনি ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
মুজিববর্ষ উদ্যাপনে খরচের হিসাব সংসদে তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানালেন, পতিত সরকারের আমলে এ খাতে মোট ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এই অর্থে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও বেদি নির্মাণ করা হয়। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ব্রোঞ্জ, তামা ও মার্বেল পাথরের মূর্তিও স্থাপন করা হয়। রাষ্ট্রীয় সময় গণনার জন্য তৈরি করা হয় ডিজিটাল বোর্ডও। এ ছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক বছরের খাওয়াদাওয়ার পেছনে ৩৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলেও সংসদে জানান অর্থমন্ত্রী।
আজ রবিবার জাতীয় সংসদে জামায়াতের এমপি মাহবুবুর রহমান বেলালের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ জানালেন, ৬২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে ৪৩টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে এই অর্থ খরচ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি খরচ করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। তাদের খরচ ২৮৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা। রেলপথ মন্ত্রণালয় খরচ করেছে ২০৬ কোটি ৭৩ লাখ ৭১ হাজার টাকা। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ করেছে ১৪০ কোটি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের খরচ ১৩৩ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা।
এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খরচ করেছে ৪৭ কোটি ৬৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ২৬ কোটি ২৬ লাখ ৪১ হাজার টাকা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২৪ কোটি ৩০ লাখ ৪৩ হাজার টাকা খরচ করেছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ খরচ করেছে ২৩ কোটি ২০ হাজার টাকা। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ করেছে ২০ কোটি ৪৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।
মাহবুবুর রহমান সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বললেন, ‘মুজিববর্ষের খরচ নিরীক্ষা বা তদন্তের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মুজিববর্ষ ছাড়াও আগের সরকারের সময় বিভিন্ন খাতে খরচের আরও অনেক বিষয় রয়েছে।
তিনি বললেন, ‘সরকার পর্যায়ক্রমে সেগুলোর হিসাব যাচাই করছে। এই যাচাইয়ের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বললেন, ‘জনগণের অর্থ লুট করে বিদেশে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের আইনি ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
