শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
দেশ দিগন্ত ২৪

অপহরণের ৫২ দিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, চারজন গ্রেপ্তার



অপহরণের ৫২ দিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, চারজন গ্রেপ্তার

সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের চাইনপাড়া গ্রামে অপহরণের প্রায় ৫২ দিন পর আওলাদ হোসেন শেখ (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


বুধবার (১ জুলাই) মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।


পুলিশ জানায়, গত ৯ মে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন আওলাদ হোসেন শেখ। পরদিন তার ভাই সিরাজদিখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর ২৩ মে আওলাদের ছোট ভাই বেলায়েত হোসেন বাদী হয়ে আওলাদের স্ত্রী রানী বেগম, মানিক বেপারীসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

তদন্তের এক পর্যায়ে গত ৩১ মে মানিক বেপারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ৩০ জুন সাভারের একটি ডেইরি ফার্ম থেকে সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে রিপন ও বিন আমিন শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চাইনপাড়া গ্রামের একটি গরুর খামারের রান্নাঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় আওলাদ হোসেন শেখের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর আওলাদ হোসেন রানী বেগমকে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে সন্তান না হওয়া এবং জমিজমা স্ত্রী রানী বেগমের নামে লিখে দেওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে রানী বেগম ও তার ভগ্নিপতি মানিক বেপারী ক্ষুব্ধ হয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন।


পুলিশের ভাষ্যমতে, ঘটনার দিন মানিক বেপারী কৌশলে আওলাদ হোসেনকে একটি গরুর খামারে নিয়ে যান। সেখানে সাইফুল ইসলাম তাকে চেপে ধরেন এবং মানিক বেপারী কোদাল দিয়ে গলায় আঘাত করে হত্যা করেন। এ সময় বাইরে রিপন ও বিন আমিন পাহারায় ছিলেন। পরে তারা মরদেহ খামারের রান্নাঘরের ভেতরে গর্ত করে পুঁতে রাখেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ।

দেশ দিগন্ত ২৪

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬


অপহরণের ৫২ দিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, চারজন গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

featured Image

সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের চাইনপাড়া গ্রামে অপহরণের প্রায় ৫২ দিন পর আওলাদ হোসেন শেখ (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


বুধবার (১ জুলাই) মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।


পুলিশ জানায়, গত ৯ মে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন আওলাদ হোসেন শেখ। পরদিন তার ভাই সিরাজদিখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর ২৩ মে আওলাদের ছোট ভাই বেলায়েত হোসেন বাদী হয়ে আওলাদের স্ত্রী রানী বেগম, মানিক বেপারীসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

তদন্তের এক পর্যায়ে গত ৩১ মে মানিক বেপারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ৩০ জুন সাভারের একটি ডেইরি ফার্ম থেকে সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে রিপন ও বিন আমিন শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চাইনপাড়া গ্রামের একটি গরুর খামারের রান্নাঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় আওলাদ হোসেন শেখের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর আওলাদ হোসেন রানী বেগমকে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে সন্তান না হওয়া এবং জমিজমা স্ত্রী রানী বেগমের নামে লিখে দেওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে রানী বেগম ও তার ভগ্নিপতি মানিক বেপারী ক্ষুব্ধ হয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন।


পুলিশের ভাষ্যমতে, ঘটনার দিন মানিক বেপারী কৌশলে আওলাদ হোসেনকে একটি গরুর খামারে নিয়ে যান। সেখানে সাইফুল ইসলাম তাকে চেপে ধরেন এবং মানিক বেপারী কোদাল দিয়ে গলায় আঘাত করে হত্যা করেন। এ সময় বাইরে রিপন ও বিন আমিন পাহারায় ছিলেন। পরে তারা মরদেহ খামারের রান্নাঘরের ভেতরে গর্ত করে পুঁতে রাখেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ।


দেশ দিগন্ত ২৪

সম্পাদক:
মোবারক হোসেন


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
অপহরণের ৫২ দিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, চারজন গ্রেপ্তার
0:00 / 0:00
1x