শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ২০০ অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার শাড়ি দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
রোববার ১৮ অক্টোবর বিকেলে কটিয়াদী উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, সহসভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন, কটিয়াদী পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন এবং সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল রহমান সজল সরকারসহ অন্যরা।
আলোচনা সভা শেষে ২০০ অসহায় সনাতন নারীর জন্য শাড়ি উপহার পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তাঁদের মাধ্যমে এসব উপহার সুবিধাভোগী নারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাওয়া প্রধানমন্ত্রীর এ উপহার অসহায় নারীদের মুখে হাসি ফোটানোর পাশাপাশি তাঁদের উৎসবের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মাঝে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন সুদৃঢ় করতেও এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ২০০ অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার শাড়ি দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
রোববার ১৮ অক্টোবর বিকেলে কটিয়াদী উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, সহসভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন, কটিয়াদী পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন এবং সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল রহমান সজল সরকারসহ অন্যরা।
আলোচনা সভা শেষে ২০০ অসহায় সনাতন নারীর জন্য শাড়ি উপহার পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তাঁদের মাধ্যমে এসব উপহার সুবিধাভোগী নারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাওয়া প্রধানমন্ত্রীর এ উপহার অসহায় নারীদের মুখে হাসি ফোটানোর পাশাপাশি তাঁদের উৎসবের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মাঝে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন সুদৃঢ় করতেও এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
